1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. banglaronusandhantv@gmail.com : বাংলার অনুসন্ধান : বাংলার অনুসন্ধান টিভি
বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
"
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাপক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আগামীকাল মাগুরা পৌরসভার নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ মাগুরায় প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা মাগুরার মহম্মদপুরের কৃতিসন্তান লেঃ কর্ণেল কাজী শরীফ উদ্দিনের  সেনাবাহিনীর কর্ণেল পদে পদোন্নতি মাগুরা যশোর মহা সড়কে দুর্ঘটনায় আহত ২ নিহত ১ সুখবর -আগামি ২১শে ডিসেম্বর ২০২০ থেকে চালু হচ্ছে দেশের সব থেকে আধুনিক ক্রুজ শিপ এম ভি বে ওয়ান। মাগুরা পৌরসভার নির্বাচনে আঃ লীগের মনোনয়ন পেলেন খুরশিদ হায়দার টুটুল ৬১ পৌরসভায় নির্বাচন : আ.লীগের মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত হচ্ছে আজ মাগুরায় ইয়াবা সহ মাদক কারবারি আটক বিজয় দিবস উপলক্ষে মাগুরা জেলা যুবলীগের বাইসাইকেল ও পতাকা র‌্যালী মাগুরায় মহান বিজয় দিবস পালিত
শিরোনাম
শীতার্ত অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করলো মাগুরা প্রেসক্লাব মাগুরার শ্রীপুরে আলোকিত সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে করোনাকালীন স্বেচ্ছাসেবকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক মাগুরা শাখার আয়োজনে শীতার্তের মাঝে কম্বল বিতরন ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, কুষ্টিয়ার এসপিকে হাইকোর্টে তলব ভাসানচর থানা উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোটরবাইকে বিয়ে করে আলোচনায় মাগুরার জুয়েল মুন্সি মাগুরার নবনির্বাচিত মেয়র খুরশিদ হায়দার টুটুলকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটি মাগুরায় ছয়টি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল পরিবেশ অধিদফতর,মালিকদের আহাজারি  মাগুরা পৌরসভা নির্বাচনের চুড়ান্ত ফলাফল জেনে নিন মাগুরা শতখালীর জুটমিলের বিপরীতে পরিবহন ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ ও আহত ৩০

যশোরের রত্না নামের এক নারীর ভয়ংকর কাহিনি

  • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২০
  • ৫৮৭ বার পড়া হয়েছে

অনুুুসন্ধান ডেস্ক

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নের প্রেমচারা গ্রামের গোলাম নবীর বিশ্বাসের মেয়ে নাছরিন নাহার রত্না। কলেজে পড়াকালীন ইসেলি গ্রামের মশিউল আলম নামে একজনকে বিয়ে করেন। তার কিছুদিন পর আজমপুর গ্রামের মোঃ মাসুদুর রহমানকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই তিনি মাসুদুর রহমানকে নানান ভাবে হয়রানি করে আসছিল। এক পর্যায়ে রায়পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শওকত মন্ডলের মাধ্যমে মিমাংসা করে তালাক হয় তাদের।
এতে ভেঙে পড়ে মাসুদুর রহমান। তিনি বলেন, রত্না বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরুষকে বিয়ে করে স্বল্প সময়ে ঘর সংসারের নামে তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষাধিক টাকা, গহনাসহ জমিজমা। সর্বশেষ তাদের প্রত্যেকের নামেই করেছেন মামলা। তিনি বলেন, এরকম ঘটনা যেন কারো জীবনে না ঘটে, তালাকের মাধ্যমে আল্লাহ আমাকে এক অভিশাপ থেকে মুক্তি দিয়েছে।
তিনি আরও জানান, পরবর্তীতে বন্দবিলা ইউনিয়নের কঠুরা গ্রামের শামসের মোল্লার ছেলে তারিক হাসানকে বিয়ে করে রত্না। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় নিজেকে একজন কুমারী মেয়ে হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে হাসানের সংসারে গিয়ে শুরু করে নানান ধরনের অশান্তি। হাসানের ঘরে তার একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। কোর্টে মামলা করে হাসানকে বিভিন্ন ভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা চালায় রত্না। হাইকোর্ট পর্যন্ত এ মামলা গিয়ে এক পর্যায়ে নিষ্পত্তি হয়। এ বিষয়ে হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে হাসান বলেন, সে একটা প্রতারক মহিলা। শুরুতেই আমার সংগে প্রতারণা করেছে। একটা বিবাহিত মহিলা কি ভাবে কুমারী হতে পারে? আমাকে বিয়ে করার সময় কুমারী মেয়ে পরিচয় দেয়। আমার সঙ্গে যতদিন ছিলো এভাবে সব কিছুতেই প্রতারণা করেছে।
এরপর একই ইউনিয়নে খুদিরা গ্রামে আরেকজনকে বিয়ে করে। যদিও এ বিয়ের কোনো কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। তার থেকে হাতিয়ে নেয় লক্ষাধিক টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই হুজুর জানান, আমার জীবনে এরকম প্রতারণার শিকার হব আমি কখনো ভাবতে পারিনি। তিনি আরও বলেন, আমার কিছু অর্থদণ্ড গেলেও আমি এরকম একটি মানুষের হাত থেকে বেঁচে গেছি আল্লাহর অশেষ শুকরিয়া।
বর্তমানে নাসরিন আক্তার রত্না বন্দবিলা ইউনিয়নের দক্ষিণ চাঁদপুর গ্রামের আবুল কালাম বিশ্বাসের ছেলে কবীর হোসেনকে বিয়ে করে। তিন মাস পরেই প্রকাশ পায় তার আসল চেহারা, শুরু হয় নাটক। কবিরের প্রথম স্ত্রী নিলুফা খাতুন। পুত্র সন্তান না হওয়ায় প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ক্রমে দ্বিতীয় স্ত্রী নাসরিন নাহার রত্নাকে ১৩ শতক জমি লিখে দিয়ে কবীর বিয়ে করেন। কিন্তু কি হবে তাতে, ঠিক তিন মাসের মাথায় কবীরকে তালাক দেয় রত্না।
কিন্তু কোন কুল কিনারা না করতে পেরে আবার হাতে পায় ধরে বিয়ে করে কবীরকে। কবীর ও নোটারীর পাবলিক রেজিষ্ট্রেশন করে শর্ত দিয়ে বিয়ে করে। সেখানে নাছরিন নাহার অঙ্গীকার করে, আমি যদি পুনরায় কখনো স্বেচ্ছায় কবীর বিশ্বাসকে তালাক দিয়ে চলে যাই, তাহলে আমার দেনমোহরের টাকা ও ঐ ১৩ শতক জমির কোন রুপ দাবি করবো না, করলে তা আইনী আমলে আসিবে না।
কিন্তু এখন নাছরিন নাহার কবীর হোসেনের ঘর ছেড়ে তার নামে যৌতুক ও ঐ ১৩ শতক জমি দাবি করে আদালতে মামলা করে। কবীর বলেন, রত্না এত বড় প্রতারক আমাকে শেষ করে দিলো। আমার নামে মামলা করে আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় করতেই এগুলো করেছে। আমিও নাছরিন নাহারের নামে ৪ টি প্রতারণার মামলা করেছি। এ বিষয়ে নাসরিন নাহার রত্নার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোন কিছুই জানাতে পারবেন না বলে জানান। তার গ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যেও রয়েছে নানান শঙ্কা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
প্রকাশক কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত

Designed by: Nagorik It.Com