1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. banglaronusandhantv@gmail.com : বাংলার অনুসন্ধান : বাংলার অনুসন্ধান টিভি
শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন
"
শিরোনাম
শ্রীপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৭৮৯ পিচ ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করছে পুলিশ সারাদেশে ১৪ দিনের শাটডাউনের সুপারিশ !! ইন্টারনেট বিল বেশি নিলে অভিযোগ করবেন যেভাবে !! শ্রীপুরে আওয়ামী লীগের ৭২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন !! শ্রীপুরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত মাগুরায় আনসার ও ভিডিপির বৃক্ষরোপণ অভিযান শ্রীপুরে মুজিববর্ষ উপলক্ষে আনসার ও ভিডিপির বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২১ পাখি মাস্টার হত্যাকান্ডের বিচারের দাবিতে শিক্ষক সমাজের মানববন্ধন শ্রীপুরে ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে জমি ও গৃহ উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী বর্ধিত ভাড়াতেও সব সিটে যাত্রী বহন !! বাংলার অনুসন্ধান

মাগুরায় ছয়টি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল পরিবেশ অধিদফতর,মালিকদের আহাজারি 

  • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৫৩৫ বার পড়া হয়েছে
মোঃ ইউনুস আলী
স্টাফ রিপোর্টার
 পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া ইট প্রস্তুত ও ভাটা নিয়ন্ত্রণ আইন অমান্য করে ভাটা পরিচালনা কারার অপরাধে মাগুরা সদর উপজেলা ও শ্রীপুর  উপজেলায় ছয়টি ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়েছে ভাম্যমাণ আদালত। 

সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট মাশরুবা ফেরদৌসী ভাম্যমাণ  আদালত পরিচালনা করেন।

গুড়িয়ে ফেলা ভাটাগুলো হলো- শ্রীপর উপজেলার  রায়নগর এলাকার  আবু জাফর পরিচালিত গড়াই ব্রিকস্ নাকোল এলাকার হুমাউনুর রশিদ মুহিতের  টপটেন ভাটা ,মহেশপুর  এলাকার লিটু শেখের  জিয়া ব্রিকস্ , সারঙ্গদিয়া এলাকার মুশফিকুর রহমান কাননের হামিম ব্রিকস্। মাগুরা সদর এর পুকুরিয়া এলাকার মির রওনক হোসেন  চেয়ারম্যানের এইচ এন ডি ব্রিকস্,বাগবারিয়া এলাকার সুমনের এমএস  ব্রিকস্।সকল ইট ভাটার কাচা ইট গুলো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে সেইসাথে চিমনি গুলোও ভেংগে দেওয়া হয়েছে।  গড়াই ব্রিকসের মালিক আবু জাফর বলেন আমাদের ভাটায় ২০ লক্ষ কাচা ইট ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। মোট আনুমানিক প্রায় দুই কোটি টাকার  ক্ষতি হয়েছে ।এ তো আমরা অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু হয়ে গেলাম এবং নিঃস্ব হয়ে গেছি। অথচ সরকারের রাজস্ব খাতে প্রতিনিয়ত ভ্যাট ও ট্যাক্স  দিয়ে আসছি। এভাবে প্রত্যেকটি ইটভাটায় ১ থেকে ২ কোটি টাকার মধ্যে অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট মাশরুবা ফেরদৌসী বলেন, আদালতের নির্দেশে আমরা অবৈধ্য ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছি। এর আগে আমরা জরিমানা করেছি, আদালতে মামলা করেছি আদালত থেকে  আমাদেরকে ইটভাটাগুলো ভেঙে  রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে । পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া যতগুলো ইটভাটা রয়েছে প্রত্যেক ভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হবে।

বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট মাশরুবা ফেরদৌসী বলেন, ভাটায় স্থায়ী ভাবে চিমনি করে যারা ভাটার কার্যক্রম চালিয়ে আসছে তাদের বিরুদ্ধে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। যে সব ভাটায় স্থায়ী চিমনি ব্যবহার না করে হাওয়ার মাধ্যমে ইট তৈরির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে তাদের প্রাথমিক ভাবে জরিমাণা করা হচ্ছে। ২০১২ সালের পরিবেশ দূষণকারী সনাতন পদ্ধতীর ফিক্সড চিমনি ইটভাটা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
প্রকাশক কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত

Designed by: Nagorik It.Com